নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন শেরপুরের পুলিশ সুপার

 

নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন শেরপুরের পুলিশ সুপার কাজী আশরাফুল আজীম। উন্নত সেবা আর সুশাসন প্রতিষ্ঠা, সেবার মান নিশ্চিত করে ইতোমধ্যে শেরপুর বাসীর হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন এই পুলিশ সুপার। এবার সততা প্রতিষ্ঠাতেও ভিন্নতর স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সপ্তাহে প্রথমবারের মতন প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পেয়েছেন প্রেসিডেন্ট পুলিশ মেডেল (পিপিএম) পদকসহ হয়েছেন দুইবার রেঞ্জ শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার ২৪ ব্যাচের এই কর্মকর্তা।

পেশাগত গন্ডির বাইরে দেশের জন্যে নিজেকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে ঢাকা জেলাতেও অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের দায়িত্ব পালনকালে প্রশংসা কুড়ান এই পুলিশ কর্মকর্তা। জেলা পুলিশের মধ্যে অনন্য পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবেও নিজের কাজের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা পান কাজী আশরাফুল আজীম। যার ফলে গেল বছরে প্রথম বারের মতন ময়মনসিংহ রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার হিসেবে নির্বাচিত হয়ে পেয়েছেন সম্মাননা। ভাল কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ এ বছরের প্রথম দিকে পুলিশ সেবা সপ্তাহে প্রধান মন্ত্রীর হাত থেকে পেয়েছেন পিপিএম পদক। এ ছাড়াও নিজের সততা ও সেবায় অর্জন করেছেন রেঞ্জ দ্বিতীয় বারের মতন সেরা পুলিশ সুপারের মর্যাদাও।

এ ছাড়াও শেরপুর জেলায় ৩০ লাখ শহীদ স্মরণে ৩০ লাখ গাছের চারা লাগিয়েও আলোচনায় আসেন তিনি। পাশাপাশি অসুস্থ্য ও অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের পাশে ব্যক্তিগত পর্যায়ে দাঁড়িয়ে নিজেকেও নিয়ে গেছেন পুলিশ সদস্যদের হৃদয়ের অনন্য আসনে।

“পুলিশ জনতা, জনতাই পুলিশ, জনগনের প্রকৃত বন্ধুই হল পুলিশ। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ পুলিশ আজ সেবা ও মানে অনেক পরিণত। ‘আগের চাইতে পুলিশ এখন অনেক জনমুখী। সেবার মান-ও উন্নত। মাদক মুক্ত করতে জেলার নকলা উপজেলাকে নেওয়া হয়েছে পাইলট প্রকল্প হিসেবে। দ্রুত তা বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানা যায় একাধিক সূত্রে। প্রতিদিনই চলছে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান। শেরপুরের ৫টি উপজেলার প্রায় প্রতিটি স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মাদরাসায় মাদক, বাল্যবিবাহ ও জঙ্গী দমনে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও মুসল্লিদের নিয়ে জনসচেতনতা মূলক সভা-সেমিনার। সাধারণ জনগনকে সচেতন করতে রাস্তায় রাস্তা বিলানো হচ্ছে লিফলেট ও হেম্বেল। ৯৯৯ এর বিষয়ে সর্বস্তরের লোকদের বুঝানো হচ্ছে এর সুফলতার বিষয়ে।

পুলিশ সুপার কাজী আশরাফুল আজীম জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক, সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। আমি শেরপুরের পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব নেবার পর থেকেই পুলিশকে আরো জনকল্যানে নিয়োজিত করেছি। কমিউনিটি পুলিশিংকে জোরদার করা হয়েছে। প্রতিনিয়ত ওপেন ডে হাউজ আয়োজন করে পুলিশ সম্পর্কে সেবা গ্রহিতাদের বিভিন্ন পরামর্শ এমনকি কোন অভিযোগ এলে তাৎণিকভাবে তা নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।

তিনি আরো জানান, পুলিশের পেশাগত মান বাড়ানোর পাশাপাশি জেলায় এই বাহিনীর প্রতিটি সদস্যকে কাউন্সেলিং করা হয়েছে। আমরা বলেছি, পুলিশের সুযোগ সুবিধা বেড়েছে। সেবার জন্যে সবাইকে আরো নিবেদিত প্রাণ হতে হবে। যার বহি:প্রকাশ আমার জেলা পুলিশ একটি টিম হয়ে কাজ করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *