ভূরুঙ্গামারীতে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ৪ গুন

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ ভারতীয় পেঁয়াজ আসা বন্ধ। এমন খবরে দেশের উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে পূর্বের তুলনায় ৪গুণ। গত এক সপ্তাহ আগে যেখানে ভারত থেকে আমদানি কৃত পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে প্রতি কেজি ২৫ টাকা দরে। সেখানে এক সপ্তাহের ব্যবধানে সেই পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১০০টাকা কেজি। ফলে পেঁয়াজ কিনতে বিপাকে পড়ছে নিম্ন আয়ের মানুষেরা। খুচরা দোকানদাররা বলছেন সিন্ডিকেট করছে পাইকারি বিক্রেতারা। অপরদিকে পাইকারি বিক্রেতারা বলছেন মোকামে তাদেরকে বেশি দামে পেঁয়াজ কিনতে হচ্ছে। তাই দাম একটু বেশি। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩ টায় উপজেলার সবচাইতে বড়  বাজার ভূরুঙ্গামারী বাজারে গিয়ে দেখা যায়, কাঁচা বাজারের দোকানদাররা প্রতি কেজি পেঁয়াজ ভালোটা বিক্রি করছেন ১০০ টাকা। আর একটু নিম্ন মানের পেঁয়াজ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকায়। শহর আলী নামের এক ক্রেতা পেঁয়াজ কিনতে এসেছেন বাজারে। তিনি জানান বাড়ীতে মেহমান এসেছে কিন্তু রান্না করার মতো পেঁয়াজ নাই। ৩০ টাকা নিয়ে এসেছি ১ কেজি পেঁয়াজ কিনবো । এসে দেখি পেঁয়াজের দাম ১০০ টাকা কেজি। তাই এক পোয়া পেঁয়াজ কিনেই বাড়ীতে যাচ্ছি।

জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দিপক কুমার দেব শর্মা জানান, কোন ব্যবসায়ী যদি পূর্বের দামে পেঁয়াজ কিনে বর্তমানে বেশি দামে বিক্রি করে। তাহলে তাদের বিরুদ্ধে  আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

ভূরুঙ্গামারী(কুড়িগ্রাম)প্রতিনিধিঃ ভারতীয় পেঁয়াজ আসা বন্ধ। এমন খবরে দেশের উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে পূর্বের তুলনায় ৪গুণ। গত এক সপ্তাহ আগে যেখানে ভারত থেকে আমদানি কৃত পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে প্রতি কেজি ২৫ টাকা দরে। সেখানে এক সপ্তাহের ব্যবধানে সেই পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১০০টাকা কেজি। ফলে পেঁয়াজ কিনতে বিপাকে পড়ছে নিম্ন আয়ের মানুষেরা। খুচরা দোকানদাররা বলছেন সিন্ডিকেট করছে পাইকারি বিক্রেতারা। অপরদিকে পাইকারি বিক্রেতারা বলছেন মোকামে তাদেরকে বেশি দামে পেঁয়াজ কিনতে হচ্ছে । তাই দাম একটু বেশি। বুধবার(১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩ টায় উপজেলার সবচাইতে বড়  বাজার ভূরুঙ্গামারী বাজারে গিয়ে দেখা যায়, কাঁচা বাজারের দোকানদাররা প্রতি কেজি পেঁয়াজ ভালোটা বিক্রি করছেন ১০০ টাকা। আর একটু নিম্ন মানের পেঁয়াজ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকায়। শহর আলী নামের এক ক্রেতা পেঁয়াজ কিনতে এসেছেন বাজারে। তিনি জানান বাড়ীতে মেহমান এসেছে কিন্তু রান্না করার মতো পেঁয়াজ নাই। ৩০ টাকা নিয়ে এসেছি ১ কেজি পেঁয়াজ কিনবো । এসে দেখি পেঁয়াজের দাম ১০০ টাকা কেজি। তাই এক পোয়া পেঁয়াজ কিনেই বাড়ীতে যাচ্ছি।

জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দিপক কুমার দেব শর্মা জানান, কোন ব্যবসায়ী যদি পূর্বের দামে পেঁয়াজ কিনে বর্তমানে বেশি দামে বিক্রি করে। তাহলে তাদের বিরুদ্ধে  আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *